scholarsaga

SSC (class 9-10) physics chapter 2 notes in Bangla 2022

All the important formulas and theories of chapter 2 (of nctb class 9 10 physics book Bangla version 2022) are given here. Hopefully, these will be very useful for giving a quick revision the night before the exam.

২.১

১। সময়ের সাথে কোন বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তন হলে বস্তুটি গতিশীল এবং সময়ের সাথে কোন বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তন না হলে বস্তুটি স্থিতিশীল।

২। পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় অবস্থান কথাটির ভিন্ন অর্থ আছে। পদার্থ বিজ্ঞানে কোন বস্তুর অবস্থান জানার জন্য একটি প্রসঙ্গ বিন্দুর বা নির্দিষ্ট বিন্দুর প্রয়োজন পড়ে। এই নির্দিষ্ট থেকে বস্তুটি কোন দিকে এবং কত দুরুত্বে অবস্থিত তার প্রেক্ষিতে বস্তুটির অবস্থান নির্নয় করা হয়।

৩। এই প্রসঙ্গ বিন্দু বা নির্দিষ্ট বিন্দুটি স্থির না গতিশীল সেটি গুরুত্বপূর্ন নয়।

২.২

১। সরলরৈখিক গতিঃ কোন বস্তুর গতি যদি সরলরৈখিক হয়, তবে তার গতিকে সরলরৈখিক গতি বলে। যেমনঃ কোন বস্তু উপর থেকে নিচের দিকে পরলে তার গতি সরলরৈখিক গতি।

২। ঘূর্ণন গতিঃ কোন বস্তু যদি কোন একটা নির্দিষ্ট বিন্দুকে কেন্দ্র করে, ঐ বিন্দুর চারপাশে সমদুরুত্বে ঘুরতে থাকে তাহলে ঐ বস্তুর গতিকে ঘূর্ণন গতি বলে। বৈদ্যুতিক পাখার গতি, ঘড়ির কাঁটার গতি, আকাশের চাঁদ ইত্যাদির গতি ঘূর্ণন গতি।

৩। চলন গতিঃ একাধিক বস্তু যখন একই সাথে একই দিকে তাঁদের অবস্থানের পরিবর্তন করে বা চলতে থাকে, তখন ঐ সকল বস্তুর সামগ্রিক গতিকে চলন গতি বলে। ট্রেনের সকল বগী একত্রে একই গতিতে তাঁদের অবস্থানের পরিবর্তন করে। ট্রেনের চাকার গতিকে বিবেচনায় না নিলে ট্রেনের গতি চলন গতি।

৪। পর্যায়বৃত্ত গতিঃ কোন একটা নির্দিষ্ট বিন্দু দিয়ে, যদি কোন একটি বস্তু নির্দিষ্ট কিছু সময় পর পর একই ভাবে একই দিকে বার বার অতিক্রম করলে, তখন ঐ বস্তুর গতিকে পর্যায়বৃত্ত গতি বলে। হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন, ফ্যানের পাখা, হ্যালির ধুমকেতুর আবর্তন, স্পিরিং এর সংকোচন ও প্রসারণ এসবই পর্যায়বৃত্ত গতির উদাহরণ। ঘূর্ণন গতি এক প্রকার পর্যায়বৃত্ত গতি।

৫। সরল স্পন্দন গতিঃ কোন একটা নির্দিষ্ট বিন্দুর দুই পাশে, যদি কোন একটি বস্তু নির্দিষ্ট কিছু সময় পর পর একই ভাবে দুই দিকে (নির্দিষ্ট বিন্দুটির বামে ডানে বা উপরে নিচে বা দুটি বিপরীত দিকে) বার বার অতিক্রম (দুলতে থাকলে বা কাঁপতে থাকলে) করলে, তখন ঐ বস্তুর গতিকে সরল স্পন্দন গতি বলে। বস্তুটি যখন ঐ নির্দিষ্ট বিন্দুটির যত কাছে আসে তখন ঐ বস্তুটির গতি তত বেশি হয়। বস্তুটি যখন ঐ নির্দিষ্ট বিন্দুটির থেকে যত দূরে (বামে অথবা ডানে ) সরে যেতে থাকে তখন ঐ বস্তুটির গতি ধিরে ধিরে কমতে থেকে। এভাবে কমতে কমতে এক সময় বস্তুটির গতি শূন্য হয়ে যায়। তখন বস্তুটি আবার ঐ নির্দিষ্ট বিন্দুটির কাছে আসতে থাকে। বস্তুটির গতি সর্বচ্চ হয় তখন, যখন বস্তুটি ঐ নির্দিষ্ট বিন্দুটি বরাবর থাকে। ঘড়ির পেন্ডুলাম, দোলনায় দোলা ইত্যাদির গতি সরল স্পন্দন গতি। সরল স্পন্দন গতি এক প্রকার পর্যায়বৃত্ত গতি।

২.৩

১। আমারা যা কিছু মেপে বা পরিমাপ করে নির্দিষ্ট মান দিয়ে প্রকাশ করতে পারি তাই রাশি।

২। কিছু কিছু রাশি প্রকাশ করতে মানের সাথে সাথে নির্দিষ্ট দিক প্রয়োজন হয়, সেসব রাশিকে ভেক্টর রাশি বলে। যেমনঃ বস্তুর অবস্থান, বেগ, সরণ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি।

৩। কিছু কিছু রাশি প্রকাশ করতে শুধুমাত্র মান প্রয়োজন হয়, দিক প্রয়োজন হয়না, সেসব রাশিকে স্কেলার রাশি বলে। যেমনঃ দুরুত্ব, তাপমাত্রা, সময়, দৈর্ঘ্য, ভর ইত্যাদি।

২.৪

১। দুরত্বঃ নির্দিষ্ট কোন বিন্দু থেকে, কোন বস্তু যখন সময়ের সাথে সাথে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে, এবং এই অবস্থান পরিবর্তনের সময় বস্তুটি মোট যতটুকু পথ অতিক্রম করে, এই অতিক্রান্ত পথের পরিমাপকেই (ঐ নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে ঐ নির্দিষ্ট বস্তুটির) দূরত্ব বলে। দূরত্ব স্কেলার রাশি। দূরত্ব প্রকাশ করতে দিকের প্রয়োজন হয়না।

২। সরণঃ নির্দিষ্ট কোন বিন্দু থেকে, কোন বস্তু যখন সময়ের সাথে সাথে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে, এবং বস্তুটির যাত্রাপথের যেকন অবস্থানে, ঐ বস্তুটির দিকে ঐ নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে একটি সরলরেখা টানলে যে দূরত্ব পাওয়া যায়, এই দুরত্বকেই বস্তুটির (ঐ নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে ঐ নির্দিষ্ট বস্তুটির) সরণ বলে। সরণ ভেক্টর রাশি। কারন সরণ প্রকাশ করতে মান ও দিক দুটোই প্রয়োজন হয়।

উদাহরনঃ মনেকরি,গাড়িটি, X বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে XABCD পথ ধরে D বিন্দুতে যাত্রা শেষ করবে।

গাড়িটি যখন X বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে A বিন্দুতে পৌঁছায়, তখন গাড়িটি 6m পথ অতিক্রম করে। অর্থাৎ গাড়িটি X বিন্দুটি থেকে 6m দূরত্বে অবস্থান করে। এখানে দুরত্ব প্রকাশ করতে দিকের প্রয়োজন হয়নি। তাই দূরত্ব স্কেলার রাশি। অপরদিকে, গাড়িটি যখন X বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে A বিন্দুতে পৌঁছায়, তখন গাড়িটির অবস্থান X বিন্দু থেকে 3m উপরের দিকে। অর্থাৎ গাড়িটির সরণ 3m এবং দিক উপরের দিক। এখানে সরণ প্রকাশ করতে দিকের প্রয়োজন হয়েছে। তাই সরণ ভেক্টর রাশি।  

গাড়িটি যখন X বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে B বিন্দুতে পৌঁছায়, তখন গাড়িটি 18m পথ অতিক্রম করে। অর্থাৎ গাড়িটি X বিন্দুটি থেকে 18m দূরত্বে অবস্থান করে। এখানে দুরত্ব প্রকাশ করতে দিকের প্রয়োজন হয়নি। তাই দূরত্ব স্কেলার রাশি। অপরদিকে, গাড়িটি যখন X বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে B বিন্দুতে পৌঁছায়, তখন গাড়িটির অবস্থান X বিন্দু থেকে 5m ডান দিকে। অর্থাৎ গাড়িটির সরণ 5m এবং দিক ডান দিক। এখানে সরণ প্রকাশ করতে দিকের প্রয়োজন হয়েছে। তাই সরণ ভেক্টর রাশি।

গাড়িটি যখন X বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে C বিন্দুতে পৌঁছায়, তখন গাড়িটি 24m পথ অতিক্রম করে। অর্থাৎ গাড়িটি X বিন্দুটি থেকে 24m দূরত্বে অবস্থান করে। এই 24m পথই গাড়িটির অতিক্রান্ত দূরত্ব। অপরদিকে,গাড়িটি যখন X বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে c বিন্দুতে পৌঁছায়, তখন গাড়িটির অবস্থান X বিন্দু থেকে মাত্র 1m নিচের দিকে। অর্থাৎ গাড়িটির সরণ 1m এবং দিক নিচের দিক। এখানে সরণ প্রকাশ করতে দিকের প্রয়োজন হয়েছে। তাই সরণ ভেক্টর রাশি।

গাড়িটি যখন X বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে D বিন্দুতে পৌঁছায়, তখন গাড়িটি 30m পথ অতিক্রম করে। অর্থাৎ গাড়িটি X বিন্দুটি থেকে 30m দূরত্বে অবস্থান করে। এই 30m পথই গাড়িটির অতিক্রান্ত দূরত্ব। অপরদিকে, গাড়িটি যখন X বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে D বিন্দুতে পৌঁছায়, তখন গাড়িটির অবস্থান X বিন্দু থেকে মাত্র 4m বাম দিকে। অর্থাৎ গাড়িটির সরণ 4m এবং দিক বাম দিক।

সুতরাং আমরা বলতে পারি, গাড়িটি X বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে তার যাত্রা পথে সময়ের সাথে সাথে যতক্ষণ নিজের অবস্থানের পরিবর্তন করেছে, ততোক্ষণ X বিন্দু থেকে গাড়িটির দূরত্ব বেড়েছে এবং এটি প্রকাশ করতে শুধুমাত্র দুরত্বের মান প্রয়োজন হয়েছে।  কিন্ত দূরত্ব বাড়লেও সরণ বাড়েনি। কখনো সরণ কম হয়েছে। কখনো বেশি হয়েছে। এবং X বিন্দু থেকে গাড়িটির সরণ কত? তা প্রকাশ করতে সরনের দিক ও মান দুটোই ব্যবহার করতে হয়েছে। দূরত্ব বারলেই যে সরণ বারবে এমন কোন কথা নেই।

Spread the love
error: Content is protected !!
Scroll to Top